ঢাকায় সরকারি বাসভবন থেকে হোয়াটসঅ্যাপে দেয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমি চলে যেতে আগ্রহী।’ দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তার প্রথম মিডিয়া সাক্ষাৎকার। সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমার কাজ চালিয়ে যাওয়া উচিত। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদের কারণে আমি আমার অবস্থান ধরে রাখছি।’
তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস তার সঙ্গে প্রায় সাত মাস ধরে দেখা করেননি। তার প্রেস বিভাগ সরিয়ে নেয়া হয়েছে এবং সেপ্টেম্বরে বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশি দূতাবাসগুলো থেকে তার ছবিও সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, ‘এক রাতের মধ্যে সব দূতাবাস থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি সরিয়ে ফেলা হলো। জনগণের কাছে একটি ভুল বার্তা যায় যে রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে দেয়া হবে। আমি অত্যন্ত অপমানিত বোধ করছি।’ তিনি জানান, এই বিষয়ে ড. ইউনূসকে লিখিতভাবে জানিয়েও কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমার কণ্ঠ দমন করা হয়েছে।’
রাষ্ট্রপতি জানান, তিনি নিয়মিত সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, জেনারেল জামান স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে ক্ষমতা দখলের তার কোনো ইচ্ছা নেই।
আমাদের ইউটিউব চ্যানেল